Friday, September 30, 2022
HomeClass IXClass 9 Model Activity Task GeographyClass 9 Model Activity Task Geography Part 6 -ভূগোল (নবম শ্রেনীর সমস্ত...

Class 9 Model Activity Task Geography Part 6 -ভূগোল (নবম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়  )

Class 9 Model Activity Task Geography Part 6 -ভূগোল (নবম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়  )

Contents

Model Activity Task

Class 9

Sub:- Geography (ভূগোল)

Part 6

Class 9 Model Activity Task Geography Part 6
Class 9 Model Activity Task Geography Part 6

পঞ্চম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4296″]

ষষ্ঠ শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4401″]

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ । 

১.১ ) অক্ষরেখার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো – 

ক) সর্বোচ্চ অক্ষরেখার মান ০°

খ) প্রতিটি অক্ষরেখা মহাবৃত্ত

গ) অক্ষরেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল

ঘ) প্রতিটি অক্ষরেখার পরিধি সমান

উত্তরঃ– গ ) অক্ষরেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল । 

১.২ ) বিদার অগ্ন্যুদগমের মাধ্যমে সৃষ্ট ভূমিরূপ হল – 

ক) স্তূপ পর্বত

খ) লাভা মালভূমি

গ) পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

ঘ) আগ্নেয়গিরি

উত্তরঃ– খ ) লাভা মালভূমি । 

১.৩ ) ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো – 

ক) দামোদর নদী – পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল

খ) কালিম্পং জেলা – সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থান

গ) পডজল মৃত্তিকা- পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল

ঘ) অ্যালপাইন উদ্ভিদ – সুন্দরবন অঞ্চল

উত্তরঃ– খ ) কালিম্পং জেলা – সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থান । 

২ ) শূন্যস্থান পূরণ করো । 

২.১ ) দ্রাঘিমারেখাগুলি নিরক্ষরেখাকে _______  কোণে ছেদ করেছে। 

উত্তরঃ– ৯০ ডিগ্রি । 

২.২ ) আবহবিকারগ্রস্ত শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে মূল শিলার অপর যে শিথিল আবরণ তৈরি করে তাকে _____ বলে । 

উত্তরঃ– রেগোলিথ । 

২.৩ ) দার্জিলিং জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নিত্যবহ নদী হল _______ । 

উত্তরঃ– তিস্তা । 

সপ্তম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4403″]

অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়

[ninja_tables id=”4404″]

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও । 

৩.১ ) আবহবিকারে প্রাণীদের ভূমিকা উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো । 

উত্তরঃ– 

ক ) মানুষের ভূমিকা

i ) বাসগৃহ নির্মাণের মাধ্যমে শিলার বিচূর্ণন ঘটে । 

ii ) কৃষিকার্যের মাধ্যমে যান্ত্রিক আবহবিকার ঘটে । 

iii ) খনিজ উত্তোলন, জলাশয় খনন, শিল্প স্থাপন প্রভৃতির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আবহবিকার ঘটায় । 

খ ) অন্যান্য প্রাণীদের ভূমিকা 

i ) খরগোশ, ইঁদুর, কেঁচো প্রভৃতি মৃদভেদী প্রাণীরা মাটিতে গর্ত করে বাস করে ও শিলার বিচূর্ণন ঘটে ।

ii ) প্রাণীদের মৃতদেহ ও বর্জ্য পদার্থ বিয়োজিত হয়ে শিলার রাসায়নিক আবহবিকার ঘটে । 

৩.২ ) পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ সভাপতি অঞ্চলে বসবাস করেন – ভৌগোলিক কারণ ব্যাখ্যা করো । 

উত্তরঃ– বর্তমানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯০ % সমভূমিতে বসবাস করেন । এই ভৌগোলিক কারণ গুলি হল –

মৃদুভাবাপন্ন জলবায়ু  এখানে মাঝারি উষ্ণতা ও পরিমিত বৃষ্টিপাতের জন্য জলবায়ু মৃদু প্রকৃতির হয় । 

জলের সহজলভ্যতা – সমভূমির মাটির অগভীরে ভৌম জল এবং অসংখ্য নদ-নদী, খাল ও জলাশয় থেকে সেচ, দৈনন্দিন কাজকর্ম, পানীয় ও শিল্প কাজে জল পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় । 

কৃষি উন্নতি – বিস্তীর্ণ সমতল জমি, উর্বর গভীর পলি বা বেলে মাটি বা কৃষ্ণ মৃত্তিকা, জল সেচের সুবিধার জন্য সমভূমি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কৃষি অঞ্চল । যথা – সিন্ধু গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র সমভূমি ইত্যাদি । 

পরিবহন ও যোগাযোগ উন্নতি – সমতল ভূমিরূপ এবং বিপুল জনসংখ্যার কেন্দ্রীভবনের জন্য ঘন জালের আকারে সড়ক, রেল, পাতাল রেল, নদী ও আকাশপথের বিস্তার ঘটে । দেশ-বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থার অকল্পনীয় বিকাশ ঘটে । 

ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার – কৃষি শিল্পের উন্নতি, সুষ্ঠ পরিবহন ও সমৃদ্ধ বাজারের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি ঘটে । 

৪ ) পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু কিভাবে মৌসুমী বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয় ? 

উত্তরঃ– পশ্চিমবঙ্গসহ ভারত হলো মৌসুমী বায়ুর প্রধান বিচারণক্ষেত্র । রাজ্যের সকল জলবায়ুগত উপাদান গুলির উপর মৌসুমী বায়ু প্রভাব ফেলে । তাই রাজ্যের জলবায়ু মৌসুমী প্রকৃতির । 

ঋতু পরিবর্তন  মৌসুমী বায়ুর আসা ও ফিরে যাওয়ার ভিত্তিতে রাজ্যে চারটে ঋতুর পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে । গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল, শরৎকাল ও শীতকাল । 

ঋতুগত বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহ – মৌসুমী বায়ু সারাবছর ধরে আগমন ও প্রত্যাগমন এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ ঋতু অনুসারে ১৮০ ডিগ্রি দিক পরিবর্তন করে বিপরীতমুখে প্রবাহিত হয় । গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দক্ষিণ থেকে উত্তরে সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে এবং শরৎ ও শীতকালে উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ু উত্তর থেকে দক্ষিনে স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয় । 

পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত – মৌসুমী বায়ুর বঙ্গোপসাগরিও শাখা রাজ্যে বর্ষাকালে ঘরে ২০০ – ২৫০ সেমি বৃষ্টি ঘটিয়ে বার্ষিক ৯০% বৃষ্টিপাত সম্পূর্ণ করে । মালভূমি ছাড়া সর্বত্র আদ্র জলবায়ু সৃষ্টি করে ।

আদ্র গ্রীষ্ম ও শুষ্ক শীতকাল –  গ্রীষ্মকালের শেষ ভাগে বঙ্গোপসাগরের জলীয় বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু রাজ্যের সর্বত্র পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে আর্দ্র করে , যাকে বর্ষাকাল বলে । আবার শীতকাল  স্থলভাগ থেকে আগত জলীয় বাষ্পহীন উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ুর জন্য শুষ্ক আবহাওয়া সৃষ্টি হয় । 

বৃষ্টিপাতের অসম বন্টন – রাজ্যের বিভিন্ন অংশে মৌসুমী বায়ু বিভিন্নভাবে প্রবাহিত হওয়ায় বৃষ্টিপাতের বন্টন সব জায়গায় সমান হয় না ।বৃষ্টিপাত উত্তর থেকে দক্ষিনে এবং দক্ষিণ থেকে পশ্চিমে ক্রমশ হ্রাস পায় । উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলে ৩০০ – ৫০০ সেমি, দক্ষিণবঙ্গে ১৫০ – ২০০ সেমি এবং পশ্চিমের মালভূমিতে ১০০ – ১২৫ সেমি বৃষ্টিপাত হয় । 

পঞ্চম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4296″]

ষষ্ঠ শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4401″]

সপ্তম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4403″]

অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়

[ninja_tables id=”4404″]

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″]

নবম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4432″]

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

FansLike
FollowersFollow
0FollowersFollow
FollowersFollow
SubscribersSubscribe
- Advertisment -

Most Popular

State Wise Govt Jobs In India