Tuesday, May 24, 2022
HomeClass VIIIClass 8 Model Activity Task BengaliClass 8 Model Activity Task Bengali Part 6-বাংলা (অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়)

Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6-বাংলা (অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়)

Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6-বাংলা (অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়)

Contents

Model Activity Task

Class 8 (অষ্টম শ্রেনী)

Bengali (বাংলা)

Part 6

Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6
Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6

 

 

অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়

[ninja_tables id=”4404″]

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″]

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

১.১. ‘তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও – কার পাশে দাঁড়ানোর এই আহবান?

উত্তর : কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় প্রতিটি মানুষকে মানবিক অনুভবে টানে প্রত্যেক অসহায় নিঃসঙ্গ মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।


১.২. ‘রমেশ অবাক হইয়া কহিল, ব্যাপার কী? উত্তরে চাষিরা কী বলেছিল? 

উত্তর : অবিরাম বৃষ্টিপাতের পর কুড়ি জন অসহায় দরিদ্র কৃষক তাদের কণ্ঠে কেঁদে পড়ল। তাদের কান্না শুনে রমেশবাবু জিজ্ঞেস করেছিলেন ব্যাপার কি? তখন চাষিরা জানিয়েছিল। তাদের ১০০ বিঘা মাঠ জলে ডুবে গেছে, জল বার না করলে সমস্ত ধান নষ্ট হয়ে যাবে এবং অনাহারে তাদের মৃত্যুবরণ করতে হবে।

১.৩ ´একটা ফুলিঙ্গ-হীন ভিজে বারুদের স্তূপ। কাদের – দেখে একথা মনে হয়?

উত্তর : ‘ছন্নছাড়া’ কবিতাটিতে স্ফুলিঙ্গ-হীন ভিজে বারুদের স্তুপ’ বলতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আড্ডা দেওয়া একদল ছন্নছাড়া যুবকের কথা বলা হয়েছে যারা চোঙা প্যান্ট,চোখা জুতো, ও কড়া মেজাজে বিদ্যমান।ওরা আসলে সমাজের শিক্ষিত যুবকের দল যারা বেকারত্ব ও দারিদ্রতার শিকার তাই তাদের ভিতরে শিক্ষা থাকলেও নৈরাজ্যের শিকার হয় অকেজো হয়ে পড়েছে।

Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6
১.৪ ‘গাছের জীবন মানুষের জীবনের ছায়ামাত্র। – লেখকের এমন মন্তব্যের কারণ কী?

উত্তর : লেখক জগদীশচন্দ্র বসু গাছকে নিবিড়ভাবে ভালোবেসে তাদের জীবনের বিভিন্ন দিকগুলিকে পর্যবেক্ষণ করে এমন মন্তব্য করেছেন। কারন তার মনে হয়েছে,গাছের বৈশিষ্ট্যগুলি মানুষের মধ্যেকার নানান স্বভাব বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ। মানুষের মতো এদের জীবনেও অভাব-অনটন এবং দুঃখকষ্ট আছে। অভাবে পড়ে এরাও মানুষের মত চুরি ডাকাতি করে। মানুষের মধ্যে যেমন সদগুণ আছে, এদের মধ্যেও সেই সগুণের বহিঃপ্রকাশ লক্ষ করা যায়। এরাও একে অন্যকে সাহায্য করে।

১.৫ তবু নেই, সে তো নেই, নেই রে-কী না থাকার যন্ত্রণা পক্তিটিতে মর্মরিত হয়ে উঠেছে?

উত্তর : বুদ্ধদেব বসুর লেখা ‘হাওয়ার গান’ কবিতায় হাওয়াদের বাড়ি নেই অর্থাৎ, আশ্রয় নেই। হাওয়াদের বাড়ি না-থাকায় তারা পৃথিবীর সর্বত্র জলে-স্থলে , পাহাড়ে, বনজঙ্গলে বাড়ির খোঁজ করে বেড়ায় কখনও শহরের ঘন ভিড়ে, কখনও বা জনহীন প্রান্তরে সর্বত্রই তারা বাড়ির খোঁজ করে। তাদের এই কোনো স্থায়ী ঠিকানা বা আপন আশ্রয় না থাকার যন্ত্রণা পক্তিটিতে মর্মরিত হয়ে উঠেছে।

১.৬ ‘ছন্দহীন বুনো চালতার’ – ‘বুনো চালতা’ কে ছন্দহীন বলা হয়েছে কেন?

উত্তর : কবি জীবনানন্দ দাশ পাড়াগাঁর দ্বিপ্রহরকে ভালোবাসেন। সেই নিঝুম দুপুরে জলসিড়ি নদীর পাশে বুনো চালতার শাখাগুলি নুয়ে পড়ে, জলে তাদের মুখ দেখা যায়। কিন্তু বাতাসহীন দুপুরে বুনো চালতার ডালে কোন দোলন দেখা যায় না। প্রকৃতিতে যেন ভিজে বেদনার গল্প আকাশের নীচে কেঁদে কেঁদে ভেসে বেড়াচ্ছে। আর সেই বেদনাতেই বুনো চালতা ছন্দহীন ।

Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6

পঞ্চম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4296″]

ষষ্ঠ শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4401″]

সপ্তম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4403″]

২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

২.১. ‘দাঁড়াও’ কবিতার ভাববস্তু আলোচনা করো।

উত্তর : মানবিক বোধসম্পন্ন কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় “দাড়াও” কবিতাটির মধ্যে দিয়ে মানুষের মানবিকতা অবক্ষয়ের দিকটিকে তুলে ধরেছেন। “মানুষ” শব্দটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে ‘মান’ ও হুঁশ এর অর্থ। কিন্তু যত মানুষ আধুনিকতার শিখরে উত্তীর্ণ হচ্ছে ততই তার মানবিকতার অবক্ষয় ঘটছে। মানুষ হয়ে উঠছে ।

আত্মকেন্দ্রিক, স্বার্থপর, সুযোগ সন্ধানী, অর্থলোভী, ক্ষমতালোভী। মনুষ্যত্ব ও বিবেকবোধ সম্পন্ন মানুষকে কবি আহ্বান জানিয়েছেন অসহায়, আর্দ্র, সহায় সম্বলহীন মানুষের পাশে এসে কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়াতে। তাই সমগ্র কবিতাটির মধ্যে দিয়ে যে ভাবটি পরিস্ফুট হয়েছে যেকোনো পরিস্থিতিতে, তা হলো মানুষ যেন যেকোনো পরিস্থিতি তে যেকোনোভাবে প্রতিটি মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।

 

২.২. ‘রমেশ বিস্ময়ে হতবুদ্ধি হইয়া গেল।’ – রমেশের বিস্ময়ের কারণ কী?

উত্তর : উদ্ধৃত অংশটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পল্লীসমাজ’ পাঠ্যাংশ থেকে গৃহীত হয়েছে।

গল্প অবলম্বনে আমরা জানতে পারি রমেশ রমার কাছে বাঁধ কাটার প্রস্তাব নিয়ে উপস্থিত হয়। কারন ওই বাঁধ না কাটলে গ্রামের ১০০ বিঘের ধান নষ্ট হয়ে যাবে। তাই বাঁধ কাটতেই হবে। রমেশ আশা করেছিল যে রমা বাঁধ কাটার অনুমতি দেবে। তবে একা বেনীর আপত্তিতে আর কোন কাজ হবে না। কিন্তু রমাকে বিষয়টি জানাতেই সে প্রথমে মাছের বন্দোবস্তের কথা জিজ্ঞেস করে।

তখন রমেশ জানায় যে অত জলে মাছের বন্দোবস্ত করা সম্ভব নয়। এই সামান্য ক্ষতি টুকু মেনে নিতে অনুরোধ জানালেন রমা সুজাসুজি জানিয়ে দেয় অতগুলো টাকা সে লোকসান করতে পারবে না। এমত অবস্থায় রমেশের পূর্ব ধারণা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হলে আশা ভঙ্গ হয়ে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে।

২.৩. ‘আমি নেমে পড়লুম তাড়াতাড়ি। কথক কোথা থেকে কেন নেমে পড়েছিলেন?

উত্তর : প্রশ্নে উদ্ধৃত পংক্তি টি অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের লেখা ছন্নছাড়া কবিতা থেকেগৃহীত। কবিতা অবলম্বনে আমরা দেখতে পাই একটি বেওয়ারিশ ভিখারি গাড়িচাপা পড়ায় একদল ছন্নছাড়া বেকার যুবক ফাকা ট্যাক্সি খুঁজছিল তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে বলে। এমন সময় কথক তথা কবি সহানুভূতিশীল মনের

Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6
২.৪. জীবনের ধর্ম ‘গাছের কথা রচনায় কীভাবে ব্যক্ত হয়েছে?

উত্তর : পরিচয় দিয়ে তাদের গাড়িতে লিফট দিতে চায়। তারপর ওই যুবকেরা রক্ত মাংসের দলা পাকিয়ে যাওয়া ভিখারীর শরীরটিকে পাজাকোলা করে তুলে নিয়ে ট্যাক্সিতে উঠায়। ঠিক তখনই কবি তথা কথক সেই ডিখারীর দেহের রক্তের দাগ থেকে নিজের ভদ্রতা ও শালীনতা কে বাঁচানোর জন্য তাড়াতাড়ি গাড়ি থেকে নেমে পড়েছিলেন।

২.৪. জীবনের ধর্ম ‘গাছের কথা’ রচনায় কীভাবে ব্যক্ত হয়েছে?

উত্তর : আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রচিত “গাছের কথা” প্রবন্ধ। এই প্রবন্ধে তিনি গাছের জীবন ধর্মের আলোচনা প্রসঙ্গে জীবনের স্বাভাবিক ও সাধারণ ধর্ম সম্পর্কে সুনিশ্চিত মতামত দিয়েছেন। তার মতে গতি এবং বৃদ্ধি হল জীবনের ধর্ম। এই ধর্ম যেমন মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়, তেমনি দেখা যায় উদ্ভিদের মধ্যেও।

পাখির ডিমের মধ্যে জীবন যেমন সুপ্ত থাকে, তেমনই গাছের জীবন সুপ্ত থাকে বীজের মধ্যে উত্তাপ, জল ও মাটির সংস্পর্শে বীজ থেকে অঙ্কুরোদগম হয় এবং তা থেকে যথাসময়ে চারাগাছ বৃদ্ধি পেয়ে বনস্পতি তে পরিণত হয়। অনুরূপভাবে মানব জীবনে উপযুক্ত পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। একটি সবুজ প্রাঞ্জল গাছের সাথে একটি শুকনো ডালের অনেক তফাৎ আছে। একটি ক্রমাগত বেড়ে চলেছে, অন্যটির গতি স্তব্ধ। এর মধ্যে দিয়ে লেখক জীবনের গতিশীলতার ধর্মকে প্রকাশ করেছেন।

২.৫. ‘কী করে বুঝব, আসলে কী করতে হবে? — উদ্ধৃতিটির আলোকে ‘বুকু’ চরিত্রটির অসহায়তার স্বরূপ উদ্ঘাটন করো।

উত্তর :  আশাপূর্ণা দেবী রচিত “কি করে বুঝবো” গল্পটিতে ৬ বছরের ছেলে বুকু অতিথিদের সামনে তার মায়ের নানান কথা ফাস করে দিয়ে তার মা-বাবাকে অপদস্ত করেছিল। কারণ বাড়িতে অতিথি এলে তাদের সাথে কেমন ব্যবহার করতে হয় তা সম্পর্কে বুকুর কোন ধারণা ছিল না। অতিথিদের সামনে বুকুর এহেন ব্যবহারে তার বাবা-মার সম্মান নষ্ট হয়। তাই তারা তখন তাকে মেরে তক্তা করা উচিত বলে মনে করে। মার খেতে খেতে শেষ পর্যন্ত বুকু তার এই আচরণের। কারণ জানিয়েছে।

তখন বোঝা গেল যে সে আসলে মায়ের উপদেশই মান্য করেছিল। মা তাকে বলেছিলেন সর্বদা সত্যি কথা বলতে এবং কারোর কাছে কিছু না লুকাতে। অথচ সেই কাজটাই করেছে বলেই তার বাবা-মা তার ওপর রেগে গিয়েছেন। তাই বুকুর অসহায় প্রশ্ন “কী করে বুঝবো, আসলে কী করতে হবে?” গল্পের বুকে চরিত্রটি সত্যিই অসহায়।

২.৬. আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প – গল্পটি বিবৃত করো।

উত্তর :  প্রশ্নে উদ্ধৃত লাইনটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা “নাটোরের কথা” গদ্যাংশ থেকে নেওয়া।

গল্পটি হলো, নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রভিন্সিয়াল কনফারেন্সে বাংলা ভাষার প্রচলন। লেখক শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তার কাকা রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্যদের সঙ্গে গিয়েছিলেন নাটোরে। সে এক হৈ হৈ রৈ রৈ ব্যাপার নাটোরের মহারাজের সুবন্দোবস্তে সমগ্র যাত্রাপথে লেখকদের খাওয়া দাওয়া জিনিসপত্র বহন, দেখাশোনার কাজ এ কোন ত্রুটি ছিল না সব-ই মহারাজের নিযুক্ত লোকেরা করত।

এই সম্মেলনের অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন নাটোরের মহারাজ। তারপর যথারীতি শুরু হলো গোলটেবিল বৈঠক এবং বক্তৃতা। ইংরেজিতে যেই বক্তৃতা শুরু হয় সঙ্গে সঙ্গে লেখক তথা অবনীন্দ্রনাথ ও তার সঙ্গীরা ‘বাংলা বাংলা’ বলে প্রতিবাদ শুরু করেন। এরপর কেউ আর ইংরেজিতে বক্তৃতা করতে পারেননি। এমনকি ইংরেজি দুরস্ত লালমোহন ঘোষও শেষ পর্যন্ত বাংলায় বলতে বাধ্য হন। এটি লেখোকের মনে রাখার মতোই ঘটনা। এভাবেই কনফারেন্সে বাংলা ভাষা চালু হয়। এভাবেই সর্বপ্রথম পাবলিকলি অর্থাৎ জনসমক্ষে বাংলা ভাষার অগ্রগতির সূচনা হলো।

Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6

অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়

[ninja_tables id=”4404″]

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″]

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৩.১ নির্দেশক বা বিবৃতিমূলক বাক্যের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর :  কোন কিছু সাধারণভাবে বর্ণনা করা হয় যে বাক্যে, তাকে বিবৃতিমূলক বাক্য বলে।

যেমনঃ আজ দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৩.২ শূন্যস্থান পূরণ করো :

আবেগসূচক বাক্য

আনন্দ আহা! কি সুন্দর উপহার!
বিস্ময় আহা! কি দই খেলাম জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না!
উচ্ছ্বাস উফ! সমুদ্রের রূপ কি সুন্দর!
ঘৃণা ছি! কি কুৎসিত মূর্তি!
৩.৩ উদাহরণ দাও :
ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য চিতা বাঘ প্রচন্ড জোরে দৌড়ায়।
সাপেক্ষবাচক সর্বনাম যারা প্রতিযোগিতায় নাম দিতে চাও তারা শিক্ষিকার কাছে নাম জমা দাও।
সর্বনামের বিশেষণ তুমি খুব ভালো, আমি তত ভালো নই।
আলংকারিক অব্যয় তুমি কিন্তু কাজ তা ভালো করলে না।
অসমাপিকা ক্রিয়া ময়ূর পেখম তুলে নাচছে।

 

৩.৪ ‘কাঁচা’ ও ‘বসা’ শব্দদুটিকে পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহার করে বাক্য রচনা করো।

উত্তর :

                           কাঁচা

1) কাঁচা বয়সে অনেকেই ভুল করে (কম বয়স)

2) তমাল ইংরাজীতে বড্ড কাঁচা (অদক্ষ)

3) আমি কখনই কাঁচা কাজ করি না (অপরিণত বুদ্ধি)

4) কাঁচা মালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে (শিল্পের উৎপাদন)।

5) কাঁচা সোনায় খাদ মিশিয়ে গহনা তৈরী করতে হয় (বিশুদ্ধ)।

                           বসা

1)ছাত্রছাত্রীরা গাছের নীচে বসে আছে।(উপবেশন)

2)বসে বসে খেলে কুবেরের ধন ফুরাতেও সময় লাগে না।( বিনা পরিশ্রমে) 

3)বটতলার মোড়ে স্বপ্নপ্রাপ্ত শিবলিঙ্গ বসিয়ে তপন শিব মন্দির বানানোর পরিকল্পনা করছে।(স্থাপন)

4) কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু শ্রমিক বসে রয়েছে। (কর্মহীন)

5) তার বলা কথা গুলি আমার মনে বসে গেছে। (দাগ কাটা)

Class 8 Model Activity Task Bengali Part 6
৪.বন্যার প্রকোপে গ্রামের বহু কৃষিজমি নদীর গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংবাদপত্রের সম্পাদকের কাছে একটি চিঠি লেখো।

উত্তর :

সম্পাদক

যুগান্তর পত্রিকা

ধারাকান্দী, গৌরীপুর-২২৭০,

কলকাতা

তারিখ: ২৫-০৮-২০২১

বিষয় : নদীর পারগুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষনের জন্য আবেদন

মহাশয়,

  বাংলা একটি নদীপ্রধান এলাকা। নদী যেমন আমাদের জল, পলি দিয়ে সমৃদ্ধ করে ঠিক তেমনি প্রচণ্ড বন্যায় নদীর নিকটবর্তী এলাকাগুলি চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়। প্রতি বছর মালদা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর ও হুগলির খানাকুল বন্যার প্রকোপে জলমগ্ন হয়। কিন্তু তাই নয় বন্যার প্রকোপে গ্রামের বহু কৃষিজমি নদীর গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে, গৃহহীন ও সম্পদহীন হয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার কৃষক। 

     এই প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। নদীর তীরবর্তী এলাকায় যেখানে পাড় সহজেই ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা আছে সেখানে বাঁধ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারী ও এলাকার মানুষের উদ্যোগে বেশী করে গাছ লাগাতে হবে এবং ক্ষয়প্রবণ অঞ্চল থেকে বসতি সরিয়ে আনতে হবে।

     নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ গ্রহণ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় জনগুরুত্বপূর্ণ পত্রটি প্রকাশ করলে বিশেষভাবে বাধিত হব।

                                                   বিনীত

                                             রমেশ মজুমদার 

                                                   মালদা 

পঞ্চম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4296″]

ষষ্ঠ শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4401″]

সপ্তম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4403″]

অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়

[ninja_tables id=”4404″]

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″]

নবম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4432″]

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

FansLike
FollowersFollow
0FollowersFollow
FollowersFollow
SubscribersSubscribe
- Advertisment -

Most Popular

State Wise Govt Jobs In India