Saturday, September 24, 2022
HomeClass XClass 10 Model Activity Task HistoryClass 10 Model Activity Task History Part 4 - দশম শ্রেনীর সমস্ত...

Class 10 Model Activity Task History Part 4 – দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

Class 10 Model Activity Task History Part 4

Model Activity Task

Class 10

Sub:- History

Part 4

 

Class 10 Model Activity Task History Part 4
Class 10 Model Activity Task History Part 4

 

পঞ্চম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4296″]

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″]

 

1. ‘’ – স্তম্ভের সাথে ‘’ – স্তম্ভ মেলাও

ক – স্তম্ভ খ – স্তম্ভ
ক) নিম্নবর্গের ইতিহাস (i) সরলাদেবী চৌধুরানি
খ) লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (ii) ডিরােজিও
গ) অ্যাকাডেমিক অ্যাসােসিয়েশন (iii) রনজিৎ গুহ

উত্তরঃ

ক – স্তম্ভ খ – স্তম্ভ
ক) নিম্নবর্গের ইতিহাস (iii) রনজিৎ গুহ
খ) লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (i) সরলাদেবী চৌধুরানি
গ) অ্যাকাডেমিক অ্যাসােসিয়েশন (ii) ডিরােজিও

২. সত্য বা মিথ্যা নির্ণয় করাে :

(ক) সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

উত্তরঃ মিথ্যা 

(খ) সর্বধর্ম সমন্বয়’-এর আদর্শ প্রচার করেছিলেন রামকৃয় পরমহংসদেব।

উত্তরঃ সত্য 

(গ) সুই মুন্ডা ছিলেন কোল বিদ্রোহের নেতা।

উত্তরঃ সত্য

৩. দুটি বা তিনটি বাক্যে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

(ক) ইন্টারনেট ব্যবহারের দুটি সুবিধা লেখ।

উত্তরঃ

ইন্টারনেট ব্যবহারের দুটি সুবিধা

(i)ইন্টারনেটের সহায়তায় অতি সহজে এবং ঘরে বসে দুনিয়ায় যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা যায়।

(ii) ইন্টারনেটে অজানা প্রশ্ন লিখেও সরাসরি সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতে পারে।

(খ) ডেভিড হেয়ার কেন স্মরণীয়?

উত্তরঃ

ডেভিড হেয়ার অনেক কারণে স্মরণীয় হয়ে আছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ হলো (i) তিনি ছিলেন হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠাতা দের অন্যতম। (ii) তিনি কলকাতা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত ও তার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এছাড়া তিনি ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি পটলডাঙ্গা একাডেমি (হেয়ার স্কুল) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

 

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″]

 

(গ) বারাসাত বিদ্রোহ’ কী?

উত্তরঃ

 বারাসাত বিদ্রোহ বাংলার ওয়াহাবি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ তিতুমীর ওরফে মীর নিসার আলী বারাসাত মহাকুমার জমিদার ও ইংরেজ বিরোধী যে বিদ্রোহের সূচনা করেন তা বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত ১৮৩০ সাল থেকে ১৮৩১ সাল পর্যন্ত এই বিদ্রোহ হয় শেষ পর্যন্ত দমননীতির কারণে এই বিদ্রোহ ব্যর্থ হয়েছিল।

4) সাত বা আটটি বাক্যে উত্তর দাও :

প্রাচ্যপাশ্চাত্য শিক্ষা বিষয়ক দ্বন্দ্ব সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো

উত্তরঃ

ভূমিকাঃ ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভারতবাসীর শিক্ষার উন্নতিকল্পে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা ব্যয়ের নির্দেশ দান করেন। কিন্তু এই টাকা কীভাবে ব্যয় করা হবে তার সুনির্দিষ্ট নির্দেশ ছিল না। তাই এক গোষ্ঠী প্রাচ্য শিক্ষার জন্য এবং অপর গোষ্ঠী পাশ্চাত্য শিক্ষার জন্য দাবি তোলেন। প্রামা শিক্ষার সমর্থকরা প্রাচ্যবাদী বা ওরিয়েন্টালিস্ট এবং পাশ্চাত্য শিক্ষার সমর্থকরা পাশ্চাত্যবাদী বা অ্যাংলিসিস্ট নামে পরিচিত। ইতিহাসে এটি ‘প্রাচ্য-পাশ্চাত্য দ্বন্দ্ব’ নামে পরিচিত।

জনশিক্ষা কমিটিঃ সমস্যার সমাধানের জন্য  ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দে গড়ে ওঠে জনশিক্ষা কমিটি বা কমিটি  অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশন।এই কমিটির সদস্যরা ঐক্যমতে  উপনীত হতে ব্যর্থ হন। এর সদস্যবৃন্দের একটি গোষ্ঠী প্রাচ্য শিক্ষা, অপর গোষ্ঠী পাশ্চাত্য | শিক্ষার জন্য অভিমত পোষণ। করেন।

প্রাচ্যবাদী ওরিয়েন্টালিস্টঃ প্রাচ্যবাদীরা ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধার চোখে দেখতেন। তাঁরা রাজা রামমোহন রায় মনে করতেন, প্রাচ্য শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। এর মধ্যেই দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জড়িয়ে রয়েছে। তাই প্রাচ্য শিক্ষার জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ হওয়া উচিত। কোলব্রুক, উইলসন, এইচ. টি. প্রিন্সেপ প্রমুখ ছিলেন এর সমর্থক। |

পাশ্চাত্যবাদী বা অ্যাংলিসিস্টঃ অপরদিকে চার্লস গ্রান্ট, টমাস ব্যাবিংটন মেকলে, ট্রাভেলিয়ন, আলেকজান্ডার ডাফ, সন্ডার্স, কলভিন প্রমুখ মনে করতেন ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে পাশ্চাত্য চর্চার দ্বারা ভারতের প্রকৃত মঙ্গল সম্ভব। এঁরা পাশ্চাত্যবাদী বা অ্যাংলিসিস্ট নামে পরিচিত।

রামমোহনের উদ্যোগঃ ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দে রাজা রামমোহন বায় বড়োলাট লর্ড আমহার্স্টকে এক স্মারকলিপিতে প্রাচ্য শিক্ষার বদলে পাশ্চাত্য শিক্ষার জন্য সরকারি অর্থব্যয়ের জোরালো আবেদন জানান।

মেকলে মিনিটঃ ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দের ২ ফেব্রুয়ারি জনশিক্ষা মিটির সভাপতি স্যার টমাস ব্যাবিংটন মেকলে গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে এক স্মারকলিপি পেশ করেন। এটি মেকলে মিনিট’ নামে পরিচিত। এতে পাশ্চাত্য শিক্ষার জন্য সরকারি অর্থব্যয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সরকারি শিক্ষানীতিঃ প্রাচ্যবাদীদের বি্রোধিতা সত্ত্বেও বেন্টিঙ্ক ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দের ৭ মার্চ এক নির্দেশিকায় পাশ্চাত্য শিক্ষার জন্য সরকারি অর্থব্যয়ের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। এর ফলে প্রাচ্য-পাশ্চাত্য । দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

উপসংহারঃ ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষাপদ্ধতি চালু হওয়ার ফলে ইউরোপের উদার নীতিবাদ, নবজাগরণ, ফরাসী বিপ্লব ও সেখানকার মনিষীদের রচনা পড়ে শিক্ষিত ভারতীয়রা জাতীয় চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে।

পঞ্চম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4296″]

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″] 

 

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

FansLike
FollowersFollow
0FollowersFollow
FollowersFollow
SubscribersSubscribe
- Advertisment -

Most Popular

State Wise Govt Jobs In India