Monday, September 26, 2022
HomeClass XClass 10 Model Activity Task BengaliClass 10 Model Activity Task Bengali Part 6- বাংলা (দশম শ্রেনীর সমস্ত...

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6- বাংলা (দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়)

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6- বাংলা (দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়)

Contents

Model Activity Task

Class 10 (দশম শ্রেনী)

Sub:- Bengali(বাংলা)

Part 6

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6
Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6

 

পঞ্চম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4296″]

ষষ্ঠ শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4401″]

সপ্তম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4403″]

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

১.১ ‘জগদীশবাবু যে কী কাণ্ড করেছেন, শোনেননি হরিদা ?’ জগদীশবাবু কে ? কাণ্ডটি কী ? (১ + ২)

উত্তর- উদ্ধৃতাংশটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সুবোধ ঘোষ রচিত ‘বহুরূপী’ গল্প থেকে গৃহীত হয়েছে।

‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদার মুখ অন্যতম বিত্তবান ব্যক্তি তথা ‘বড়ো মানুষ’।

শহরের বিশিষ্ট ধনী ব্যক্তি জগদীশবাবু সাত দিন ধরে তাঁর বাড়ীতে এক উঁচুদরের সন্ন্যাসীকে সেবায় তুষ্ট করে রেখেছিলেন। সন্ন্যাসী হিমালয়ে থাকেন, বছরে একবার মাত্র আহার করেন এবং বয়স হাজার বছরেরও বেশি। এমন উঁচুদরের সন্ন্যাসী যাকে তাকে পায়ের ধুলো দেননা। তাই ছলে কৌশলে, সোনার বোল লাগানো কাঠের খড়ম সন্ন্যাসীর পায়ের সামনে রেখে জগদীশবাবু সন্ন্যাসীর পায়ের ধুলো পেয়েছিলেন। এই আশ্চর্য ঘটনাকেই প্রশ্নোদ্ধৃত অংশে ‘কান্ড’ বলা হয়েছে।

১.২ ‘খুবই গরিব মানুষ হরিদা।’ হরিদার পরিচয় দাও। তাঁর দারিদ্র্যের ছবি ‘বহুরূপী’ গল্পে কীভাবে প্রতিভাসিত হয়েছে ? (১ + ২)

উত্তর- বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সুবোধ ঘোষ রচিত বহুরূপী গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন হরিদা। পেশায় বহুরূপী হরিদা ছিলেন নিজের শিল্পের প্রতি নিষ্ঠাবান এবং নির্লোভ মনোভাবের। দারিদ্রতা তার নিত্যসঙ্গী ছিল।

   হরিদা ছিলেন একজন অতি সামান্য নির্লোভ, নির্লিপ্ত, নির্মোহ দরিদ্র বহুরূপী। সমগ্র গল্প জুড়ে আমরা হরিদার দারিদ্রতার যে ছবি দেখতে পাই তা হল পেশায় বহুরূপী হরিদা বাস করতেন শহরের সবচেয়ে সরু গলির ছোট্ট একটা ঘরে। অভাবের তাড়নায় বেশিরভাগ দিন তার ভাত জুটত না। হাঁড়িতে খালি গরম জল ফুটত। বন্ধুরা তার ঘরে আড্ডা দিতে এলে তিনি সামান্য চা দিতে পারতেন না, চিনি দুধ ও চা পাতার অভাবে। বহুরূপী সেজে তিনি যে বকশিশ পান তা দিয়ে তার অন্নের সংস্থান করা সম্ভব হয় না।

১.৩ “কি হেতু, মাতঃ, গতি তব আজি এ ভবনে ?”-বক্তা কাকে ‘মাতঃ’ সম্বোধন করেছেন ? তিনি এই প্রশ্নের কী উত্তর দিয়েছেন ?  (১ + ২)

উত্তর- কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা মেঘনাদবধ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে থেকে গৃহীত প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতিটির বক্তা হলেন রাবণ পুত্র ইন্দ্রজিৎ। তিনি প্রভাষা রাক্ষসীর ছদ্মবেশে প্রমোদ উদ্যানে আগতা দেবী লক্ষ্মী কে “মাতঃ” বলে সম্মোধন করেছেন।

  ছদ্দবেশিনী লক্ষ্মী তাকে কিছু দুঃসংবাদ জানিয়েছিলেন :-

প্রথমত – মায়া বলে বলিয়ান রামচন্দ্রর পুনর্জীবন লাভ করে মেঘনাদের প্রিয় ভাই বীরবাহু কে হত্যা করেছেন।

দ্বিতীয়ত – পুত্র শোকে শোকাহত রাবণ পুত্র হত্যার প্রতিশোধ নিতে রণ সাজে সজ্জিত হচ্ছেন।

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6 
১.৪ ‘এ মায়া, পিতঃ, বুঝিতে না পারি!’বক্তা কে ? কোন মায়া তার বোধের অগম্য ? (১ + ২) 

উত্তর- কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা “মেঘনাদবধ” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘অভিষেক’ কাব্যাংশ থেকে গৃহীত প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতিটির বক্তা হলেন রাবণ পুত্র মেঘনাদ বা ইন্দ্ৰজিৎ।

    নিশা রণে ইন্দ্রজিৎ তীক্ষ্ণ শর বর্ষণ করে সীতাপতির দেহ খন্ড খন্ড করে কেটে ছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন রামচন্দ্র নিহত হয়েছেন কিন্তু মায়া বলে বলিয়ান রামচন্দ্র পুনর্জীবন লাভ করে তার ভাই বীরবাহু কে হত্যা করেছেন। মৃত্যুর পরেও কি করে একজন মানুষ নবজীবন লাভ করতে পারে প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতিটিতে সেই ‘মায়ার ‘কথাই বলা হয়েছে।

১.৫ . ভদ্রতার অযোগ্য তোমরা !’কার প্রতি এরূপ মন্তব্য ? বক্তা কোন পরিস্থিতিতে মন্তব্যটি করেছেন ? (১ + ২)

উত্তর- বিশিষ্ট নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাট্যাংশের প্রশ্নোদ্ধৃতাংশ কথাটি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজদৌলা ইংরেজ প্রতিনিধি ওয়াটসকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।

সিরাজ ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধ করে কলকাতা জয় করেন এবং ইংরেজদের সঙ্গে আলিনগর চুক্তিতে আবদ্ধ হন। কিন্তু ইংরেজরা সেই চুক্তি অমান্য করে তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে শুরু করে। সিরাজ ছিলেন একজন দক্ষ কূটনৈতিক। তাই তিনি তার সভাসদদের সকল গোপনীয় কার্যকলাপের খবরাখবর রাখতেন। এমত অবস্থায় ওয়াটসনের কিছু গোপন পত্রও সিরাজের হাতে এসে পৌঁছায়। পত্রগুলি থেকে সিরাজ জানতে পারেন, ওয়াটসনের নেতৃত্বে তার বিরুদ্ধে ইংরেজ কোম্পানি সৈন্যবাহিনী পাঠিয়ে যুদ্ধের ছক কষছে তাছাড়া তিনি আরো জানতে পারেন যে, ওয়াটস তাঁরই সভায় স্থান পেয়ে সভাসদ ও আত্মীয়স্বজনদের নবাব বিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত হতে বাধ্য করেছেন। কোম্পানির এহেন বিশ্বাসঘাতক কুচক্রী কার্যকলাপে বিরক্ত হয়ে নবাব সিরাজ ওয়াটসকে বলেছিলেন- “ভদ্রতার অযোগ্য তোমরা।”

১.৬ “মনে হয়, ওর নিশ্বাসে বিষ, ওর দৃষ্টিতে আগুন, ওর অঙ্গ সঞ্চালনে ভূমিকম্প’।- উদ্ধৃতিটির আলোকে ঘসেটি বেগমের চরিত্রবৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। (৩)

উত্তর-  আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাট্যাংশে ঘষেটি বেগম ষড়যন্ত্রকারী, প্রতিহিংসাপরায়ণ, স্বার্থান্বেষী, কূট চরিত্ররূপে প্রতিভাত হয়েছে।

ষড়যন্ত্রকারী : ঘসেটি বেগম সিরাজের মাসি। তিনি চেয়েছিলেন পিতা আলিবর্দি খাঁ-র অবর্তমানে বাংলার মসনদে বসবে তাঁর স্বামী কিন্তু মনোবাসনা পূর্ণ না হওয়াই ঘষেটি বেগম ক্রুদ্ধ ও হিংস্র হয়ে ওঠেন এবং ইংরেজদের সঙ্গে মিলিত হয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।

প্রতিহিংসাপরায়ণ : রাজনৈতিক কারণে সিরাজ তাঁকে গৃহবন্দি করে রেখেছিলেন। ঘসেটির মুখেই সেই প্রতিহিংসার কথা প্রকাশ পায়- “আমার রাজ্য নাই, তাই আমার কাছে রাজনীতিও নাই আছে শুধু প্রতিহিংসা।”

অমানবী আচরণ : সিরাজের মনে হয়েছে ঘষেটি বেগম মানবী নয় দানবী। মনে হয়- “ওর নিশ্বাসে বিষ, অঙ্গ সঞ্চালনে ভূমিকম্প!”

স্বার্থপরতা : সিরাজ তাকে মায়ের সম্মান দিতেই চেয়েছিলেন কিন্তু ঘসেটির মধ্যে মায়ের স্নেহ ছিলনা। ছিল প্রতিহিংসার দহন জ্বালা ও স্বার্থপরতা। তাই সে সিরাজের ভয়াবহ পরিণতি দেখতে চেয়েছে।

    নাট্যাংশের স্বল্প পরিসরেই ঘসেটি তাঁর সক্রিয়তায় ও বাক্ চাতুর্যে নেতিবাচক চরিত্র হিসেবে বিশিষ্ট হয়ে উঠেছে।

১.৭ ‘আলো তার ভরবে এবার ঘর!’ – কোন আলোয় ঘর ভরে উঠবে ? (৩)

উত্তর- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত “প্রলয়োল্লাস” কবিতা থেকে উদ্ধৃতিটি গৃহীত হয়েছে।

মহাদেবের জটায় স্থিত শিশু চাঁদের কিরণ এই জগতকে আলোয় ভরিয়ে তুলবে অর্থাৎ কবি বলতে চেয়েছেন এই দেশ বা ঘর যখন মহানিশা রূপ পরাধীনতার জ্বালায় ভুগছিল তখন তরুণ বিপ্লবীরা পরাধীনতার নিকষ কালো অন্ধকারের মধ্যে একফালি চাঁদের আলোর মত নবযুগের স্বাধীনতার আলোয় ঘরকে বা দেশকে আলোকিত করবে।

১.৮ “…আসছে ভয়ংকর। ভয়ংকরের আগমন পরিস্থিতিটি ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা অনুসরণে আলোচনা করো। (৩)

উত্তর- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত “প্রলয়োল্লাস” কবিতা থেকে উদ্ধৃত অংশটি গৃহীত হয়েছে।

    চৈত্রের শেষে কালবৈশাখী জীর্ণ, প্রাচীন, জরা, ধ্বংস করে চিরসুন্দর, চিরনতুন কে সৃষ্টি করে। ঠিক তেমনি পরাধীন ভারতবর্ষের বুকে স্বাধীনতার লক্ষ্যে যে আন্দোলনের উদ্দাম কালবৈশাখী ঝড় উঠেছে, তা যেন প্রলয় নেশায় নিত্য পাগল। সে যেন মহাকালের রুদ্র রূপ ধারণ করে সিন্ধু পারে ব্রিটিশ রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে এক নব স্বাধীনতার স্বাদ দিতে ধূম্ৰ ধূপে বস মশাল জ্বেলে আসছে।

১.৯ ‘অপূর্ব কহিল, বেলা হয়ে গেল, আমি এখন তবে চললুম কাকাবাবু।’ বেলা কীভাবে গড়িয়ে গেল? (৩)

উত্তর- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত “পথের দাবী” গদ্যাংশ থেকে উদ্ধৃত অংশটি গৃহীত হয়েছে।

    অপূর্বর ঘরে গতকাল রাতে চুরি হয়েছিল সেই খবর জানাতে সে পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিল কিন্তু সেখানে গিয়ে সে দেখে যে জনা ছয়েক বাঙালির খানাতল্লাশি চলছে। সব্যসাচী মল্লিক সন্দেহে বিচিত্র অদ্ভুত বেশভূষার অধিকারী গিরিশ মহাপাত্র নামে এক ব্যক্তি কে পুলিশের বড়বাবু জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তার পকেটে ও ট্যাকের তল্লাশি করে গাজার কল্কে সহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র পাওয়া যায়। দীর্ঘক্ষন ধরে গিরিশ মহাপাত্র কে পুলিশ কর্তাদের নানাবিধ জিজ্ঞাসাবাদ ও ব্যলোক্তি শুনতে শুনতে অপূর্বর বেলা গড়িয়ে গিয়েছিল।

 

 

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″]

নবম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4432″]

১.১০ ‘কৈ এ ঘটনা তো আমাকে বলেন নি?”বক্তা কাকে একথা বলেছেন? কোন ঘটনার কথা বক্তা আগে শোনেননি ? (১+২)

উত্তর- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত পথের দাবী গদ্যাংশ থেকে উদ্ধৃতি টি গৃহীত হয়েছে। উদ্ধৃতিটির বক্তা হলেন রামদাস তলওয়ারকর। তিনি তার সহকর্মী বন্ধু অপূর্ব কে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছেন।

অপূর্বের না বলা ঘটনা কোম্পানির চাকরি নিয়ে রেঙ্গুনে আসার পর একদিন রেঙ্গুন রেলস্টেশনে একদল ফিরিঙ্গি যুবক অন্যায় ভাবে অপূর্ব কে লাথি মেরে প্ল্যাটফর্ম থেকে বের করে দেয়। স্টেশন মাস্টারের কাছে তার প্রতিবাদ জানাতে গেলে স্টেশন মাস্টার তাকে অপমান করে। এমনকি এই ঘটনার সাক্ষী যারা, তারা এই জেনে খুশি হন যে লাথির চোটে অপূর্বর হাড় পাজর ভাঙেনি। অপূর্বের এই নিগ্রহের কথা রামদাস আগে শোনেনি।

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6 

২. ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো : (প্রতিটির মান ১)

ভোজ্যবস্তু, পোশাক-পরিচ্ছদ, সন্ধ্যাহ্নিক, সৃজন-বেদন, প্রলয়োল্লাস, রথঘর্ঘর, জয়ধ্বনি, সিংহদ্বার, শিশু-চাদ, প্রলয় –নেশা।

উত্তর-

ভোজ্যবস্তু = ভোজনের উপযুক্ত বস্তু (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)

পোশাক-পরিচ্ছদ = পোশাক ও পরিচ্ছদ (দ্বন্দ্ব সমাস)

সন্ধ্যাহ্নিক = সন্ধ্যায় পালনীয় আহ্নিক (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)

সৃজন-বেদন= সৃজনের নিমিত্ত বেদন (নিমিত্ত তৎপুরুষ সমাস)

প্রলয়োল্লাস = প্রলয়ের নিমিত্ত উল্লাস (নিমিত্ত তৎপুরুষ সমাস)

রথঘর্ঘর = রথের ঘর্ঘর (সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস)

জয়ধ্বনি = জয়সূচক ধ্বনি (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)

সিংহদ্বার =
সিংহ চিহ্নিত দ্বার- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস

শিশু
চাঁদ = শিশুর ন্যায় চাঁদ- উপমান কর্মধারয় সমাস –

প্রলয়
নেশা = প্রলয়ের নেশা – সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস

৩. কমবেশি ১৫০ শব্দে প্রতিবেদন রচনা করো : লর্ডসে রুদ্ধশ্বাস জয় ভারতীয় ক্রিকেট দলের। (৫)

উত্তর-

লর্ডসে রুদ্ধশ্বাস জয় পেল ভারতীয় ক্রিকেট দল

নিজস্ব সংবাদদাতা, ৩০ শে আগস্ট, লর্ডস : লর্ডস টেস্টে ঐতিহাসিক জয় পেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের পঞ্চম দিনে ২২ গজে দাপট দেখালো ভারতীয় ক্রিকেটাররা। প্রথমে চাপের মুহূর্তে ৮৯ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে ২৯৮ রানে পৌঁছে দেয় মোহাম্মদ সামি ও জসপ্রীত বুমরা। অর্ধশত রান করেন মোহাম্মদ সামি। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭২ রানের টার্গেট দেয় টিম ইন্ডিয়া। রান তাড়া করতে নেমে প্রথম থেকেই লাগাতার উইকেট হারিয়ে চাপ বাড়তে থাকে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং এ। জো রুট ও জয় বাটলার কিছুটা লড়াই করলেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি। ১২০ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ১৫১ রানে জয় পায় টিম ইন্ডিয়া।

 

 

 

পঞ্চম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4296″]

ষষ্ঠ শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4401″]

সপ্তম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4403″]

অষ্টম শ্রেনীর সমস্ত বিষয়

[ninja_tables id=”4404″]

দশম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4297″]

নবম শ্রেনীর সমস্ত বিষয় 

[ninja_tables id=”4432″]

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

FansLike
FollowersFollow
0FollowersFollow
FollowersFollow
SubscribersSubscribe
- Advertisment -

Most Popular

State Wise Govt Jobs In India